প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে ট্রাম্প ইউক্রেন সংকট সমাধানে নতুন এক শান্তি প্রস্তাব দেন, যা পুতিন স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর রুশ প্রেসিডেন্ট ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যযুগীয় ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলগুলো ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়ার অংশ। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে তিনি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা তুলে ধরার চেষ্টা করেন।
তবে পুতিনের এই “ইতিহাস বক্তৃতা” ট্রাম্পকে দৃশ্যত বিরক্ত করে তোলে। সূত্র জানায়, আলোচনার দিক পাল্টে গেলে ট্রাম্প বৈঠক মাঝপথে শেষ করার সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে বহু প্রত্যাশিত এই বৈঠকটি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সমাপ্ত হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের এই উত্তপ্ত বৈঠক প্রমাণ করে যে ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও মস্কোর অবস্থান এখনো গভীরভাবে বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির আড়ালে রাশিয়ার প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে, আর পুতিন নিজের অবস্থানকে ইতিহাস ও ভূরাজনীতির ভিত্তিতে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন।
সূত্র: Financial Times (FT)
ডেস্ক রিপোর্ট