আদালতের রায়ে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে কর্মরত অবস্থায় সংবেদনশীল নিরাপত্তা তথ্য, কূটনৈতিক চলাচলের বিবরণ এবং অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা কোড গোপনে সংগ্রহ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠাতেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
রায়ের ফলে তাকে তিন বছর সাত মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি আর্থিক লোভে এই কাজ করতেন এবং মাঝে মাঝে দূতাবাসের নথি গোপনে কপি করে ডিজিটাল মাধ্যমে বিদেশে পাঠাতেন।
ওয়াশিংটন এই ঘটনাকে “জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও কূটনৈতিক আস্থার বড় চ্যালেঞ্জ” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দূতাবাস নিরাপত্তা পুনর্মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ABC News
ডেস্ক রিপোর্ট