গাজায় যাত্রীবোঝাই বাসে বোমা হামলা: ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ
- আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৫ ১০:৪০:২১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৫ ১০:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪০ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের গাজা সিটিতে ইসরাইল ফের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে একটি যাত্রীবোঝাই বাসে বোমা হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) গাজার জায়তুন এলাকার সালাহ আল-দিন স্ট্রিটের কাছে এই হামলার ঘটনা ঘটে, যার ফলে যাত্রীরা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, বাসটিতে তখন ১০ জন যাত্রী ছিল এবং হামলার পর একজন কিশোরকে আহত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। যদিও ঘটনাস্থল বিপজ্জনক হওয়ায় বাকিদের নিরাপদে উদ্ধার এখনও সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
গাজার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, কারণ যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরাইল গত সপ্তাহ থেকেই হামলা অব্যাহত রেখেছে। গাজার এবং মিশরের সংযোগস্থল রাফাহ ক্রসিং এ সময় আরো খুলে দেওয়া হয়নি। হামাস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইসরাইলকে রাফাহ ক্রসিং খুলতে চাপ দিতে আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে গাজার লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনি ত্রাণ পেতে পারে।
গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের প্রচণ্ড হামলার ধারা বন্ধ হয়নি। গাজার ধ্বংসস্তূপে ১০ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি চাপা পড়ে আছেন, যাদের সম্পর্কে এখনও কোনো খবর আসেনি। সেই সঙ্গে জিম্মিদের মরদেহ ফেরত নিয়ে সংঘর্ষ চলছেই। হামাস দাবি করেছে, যারা মরদেহ তাদের কাছে রয়েছে সব ফেরত পাঠানো হয়েছে, আর বাকিরা এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারে সময় চাওয়া হয়েছে ইসরাইলের কাছে।
হামাস জানিয়েছে, তারা মৃত ইসরাইলি জিম্মিদের দ্রুত উদ্ধার করতে প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ ও সরঞ্জাম ছাড়া বাকি মরদেহ আর ফেরত দিতে পারবে না। এর পাশাপাশি ইসরাইল হামাসের শর্ত পালন না করার অভিযোগ তুলে গাজার ওপর আবারও হামলার হুমকি দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে হামাস ২০ জন জিম্মিকে মুক্তি দেয়। এছাড়া দুই দফায় সাতটি মরদেহ এবং সর্বশেষ গত ১৫ অক্টোবর দুই জিম্মির মরদেহ ইসরাইলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে গাজায় প্রায় ১৯ জন জিম্মির মরদেহ রয়ে গেছে, যাদের বেশিরভাগ হামাসের নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে মনে করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।