বেসেন্ট বলেন, “চীন যদি রাশিয়ার জ্বালানি কেনা অব্যাহত রাখে, তবে মার্কিন প্রশাসন কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।” ইতোমধ্যেই ১০০ জন সিনেটরের মধ্যে ৮৯ জন এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছেন, যা অভ্যন্তরীণভাবে ব্যাপক রাজনৈতিক ঐক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা শুধু চীনের জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলেই নয়, বরং বৈশ্বিক তেলবাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। রাশিয়ার তেল বিক্রি সীমিত হলে তাদের রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কা লাগবে, যা ইউক্রেন যুদ্ধের অর্থায়নেও প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, চীন বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজতে বাধ্য হবে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা।
ওয়াশিংটন সূত্রে জানা গেছে, এই প্রস্তাবটি এখন হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল ইকনমিক কাউন্সিলের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদন মিললে এটি হবে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক চাপের উদ্যোগ।
ডেস্ক রিপোর্ট