মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময় এবং যুদ্ধোত্তর গাজার প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের বিষয়গুলো প্রধান এজেন্ডা হিসেবে থাকছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এ বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে চূড়ান্ত সমঝোতা আদৌ সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেক পর্যবেক্ষক। কারণ, পক্ষগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ এবং আস্থার সংকট এখনও কাটেনি। তবুও কায়রো বৈঠককে শান্তির পথে একটি ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।