ট্রাম্পের হামলার বড় ছক সত্ত্বেও আলোচনার দুয়ার খোলা রাখছে ইরান
উত্তেজনা বাড়লেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করছে না তেহরান।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২৪-০৭-২০২৬ ১২:১৬:২৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৪-০৭-২০২৬ ১২:১৬:২৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ সামরিক হামলার ছক কষছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এমন চরম হুমকির পরও তেহরান জানিয়েছে, তারা এখনো কূটনীতি বা আলোচনার দুয়ার খোলা রেখেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে ট্রাম্প জানান, তেহরানকে এখনো যথেষ্ট মূল্য চোকাতে হয়নি। তাই তিনি ইরানে একটি নজিরবিহীন হামলার খুব কাছাকাছি রয়েছেন। চাইলে ইসরায়েলও দুই মিনিটের মধ্যে এই হামলায় যোগ দিতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ট্রাম্পের এই হুমকির পরই আল জাজিরার কাছে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান ইরানের এক শীর্ষ কূটনৈতিক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, চরম বেপরোয়া হয়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে যুদ্ধাপরাধ করছে। গত ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারক (MoU) থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসাই মূলত বর্তমান এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।
ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন আগ্রাসী বক্তব্য ও পদক্ষেপের পরও ইরান কূটনীতির পথ বন্ধ করেনি। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এখনো দুপক্ষের বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তেহরান সব ধরনের সামরিক বিকল্পও টেবিলে প্রস্তুত রেখেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন হামলায় সহায়তা করলে যুক্তরাজ্যেও পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
বৃহস্পতিবার ইরানের তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়, ভারত মহাসাগরে থাকা মার্কিন জাহাজগুলোর ক্রুজ মিসাইল ফুরিয়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র এখন যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে ‘বি-১ ল্যান্সার’ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছে। যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করে আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ইরানের মাটিতে হামলার জন্য ব্যবহৃত যেকোনো দেশের ঘাঁটি তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।