ফেসবুক লাইভে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই 'রিপোর্ট' বা 'স্ট্রাইক' করা হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত প্রোফাইলটি উদ্ধার করা না গেলেও এখন থেকে তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকেই নিয়মিত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন। একই সঙ্গে তার সঠিক বার্তাগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সমর্থকদের পেজটি শেয়ার করার এবং পেজের মাধ্যমেই যুক্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর দমনের এই ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ৩০ লাখ ফলোয়ার সমৃদ্ধ অফিশিয়াল ফেসবুক পেজটিও ডিজেবল করে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। আসিফ মাহমুদ তখন জানিয়েছিলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া কিছু ভিডিও ও পোস্টে সংঘবদ্ধভাবে রিপোর্ট এবং স্ট্রাইক করার মাধ্যমেই তার পেজটি বন্ধ করা হয়েছিল। দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ফেসবুক আইডি ও পেজ বারবার এভাবে বন্ধ হওয়ার বিষয়টি এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বাকস্বাধীনতা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট