সম্প্রতি ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের পরিস্থিতির সূত্রপাত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হয়নি। তিনি আরও যোগ করেন, “দুই দেশের সরকারের উভয় পক্ষকেই আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে হবে। তবে এই বর্তমান টানাপোড়েন কোনোভাবেই দুই দেশের বৃহত্তর বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে কার্যকর সমঝোতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখা।”
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক লেনদেনের ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সংবাদমাধ্যমে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিলেও বাস্তবিকভাবে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি ও নিত্যপণ্যের বাজারে এর বড় কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও পারস্পরিক নির্ভরতার কারণে দুই দেশই বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগ্রহী। ফলে চলমান সংকটটি রাজনৈতিক স্তরে সীমাবদ্ধ থাকলেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিজস্ব গতিতে চলতে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট