প্রথম আলো–ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা: ১৭ জন গ্রেফতার, সিসিটিভিতে শনাক্ত ৩১
- আপলোড সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৩:১৩:৩৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৩:১৩:৩৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৪ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর কাওরান বাজারে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মোট ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম।
ডিএমপি জানায়, গত শুক্রবার রাতে শাহবাগ মোড় থেকে কাওরান বাজার পর্যন্ত বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে একদল দুষ্কৃতিকারী প্রথমে প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয়ে এবং পরে ডেইলি স্টারের অফিসে হামলা চালায়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এ হামলায় অফিস কক্ষ ভাঙচুরের পাশাপাশি অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়, বিপুল জনসমাগম ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও বিক্ষোভকারীরা আটকে দেয়।
ঘটনার পর প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেছে, আর ডেইলি স্টারের মামলা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ শেষে করার প্রক্রিয়া চলছে। দুটো প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, মহানগর গোয়েন্দা সংস্থা, সিটিটিসি ও অন্যান্য গোয়েন্দা ইউনিট মিলে সিসিটিভি ও现场 ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে সন্দেহভাজনদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে।
এস এন নজরুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত থানা পুলিশ ১৩ জন, সিটিটিসি ৩ জন এবং ডিবি ১ জনসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে, শনাক্ত তালিকায় থাকা ৩১ জনের বাকি আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে মো. নাইম নামে একজন দেড় লাখ টাকা লুট করে সেই অর্থে একটি টেলিভিশন ও টাচস্ক্রিন ফ্রিজ কিনেছেন; তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা, টিভি ও ফ্রিজ উদ্ধার করা হয়েছে, অন্যদের মধ্যে আকাশ আহমেদ সাগর, মো. আব্দুল আহাদ, বিপ্লব, নজরুল ইসলাম মিনহাজ, মো. জাহাঙ্গীর, সোহেল রানা, মো. হাসান, রাসেল ওরফে শাকিল, আব্দুল বারেক শেখ ওরফে আলামিন, রাশেদুল ইসলাম, সোহেল রানা ও শফিকুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেফতারদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্তদের কোনো দলের পরিচয়ে নয়, দুষ্কৃতিকারী হিসেবেই দেখা হচ্ছে; তারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করেছেন। তাঁর ভাষ্যে, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা খোঁজার চেয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিদ্যমান বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য, অপরাধী যে রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শেরই হোক, কারও প্রতি ছাড় দেওয়া হবে না।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।