নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও প্রায় ৩০টি বইয়ের লেখক হিসেবে পরিচিত অজয় কে রায়না তার পোস্টে অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও সহিংস ভাষা ব্যবহার করেছেন। তিনি লিখেছেন, গুলি মাথায় নয়, বরং ঘাড়ে করা উচিত যাতে লক্ষ্যবস্তুকে প্রথমে নিশ্চুপ করা যায়। পাশাপাশি ছোট ছোট ভুল সংশোধনের মাধ্যমে অপারেশন সফল করার ইঙ্গিতও দেন তিনি। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ওপর এমন সরাসরি ও অপেশাদার হুমকি দেওয়ার ফলে ভারতের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের নৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বাংলাদেশের নেটিজেন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক প্রভাবশালী মিডিয়া হ্যান্ডলার ও বিশ্লেষক দাবি করেছেন, শরিফ ওসমান হাদির ওপর সাম্প্রতিক হামলার পেছনে এমন উগ্রবাদী চিন্তাধারার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা আন্তর্জাতিকভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টিকে নিছক ব্যক্তিগত মন্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন তারা।
তবে এ বিষয়ে ভারতীয় ওই সাবেক কর্মকর্তার মনোভাব অত্যন্ত শীতল ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ। একটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি তাচ্ছিল্যের সঙ্গে এড়িয়ে যান। তিনি মন্তব্য করেন, সামাজিক মাধ্যমের একটি পোস্ট নিয়ে এতটা সংবেদনশীল হওয়ার কিছু নেই। উল্টো তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উচিত ভারতের নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা, কারণ এতে উত্তেজনা কেবল বৃদ্ধিই পাবে। তার এই মন্তব্যকে আগুনের ঘি হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক সমাজ।
ডেস্ক রিপোর্ট