সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান শনিবার (৬ ডিসেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, রোববার সকাল থেকে সিআইডি দল রায়েরবাজার কবরস্থানে কাজ শুরু করবে। লাশগুলো উত্তোলনের পর ময়নাতদন্ত এবং ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শহীদদের লাশগুলো পুনরায় দাফন করা হবে।
লাশ উত্তোলনের এই কার্যক্রম শুরুর আগে রায়েরবাজার স্মৃতিসৌধ–সংলগ্ন কবরস্থানে সিআইডির প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ একটি ব্রিফিং করবেন। এ সময় ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ লুয়িস ফনডিব্রাইডার, ফরেনসিক অ্যানথ্রোপোলজিস্ট এবং ফরেনসিক কনসালট্যান্টরা উপস্থিত থাকবেন।
জানা গেছে, যে স্থানে অজ্ঞাতনামা শহীদদের দাফন করা হয়েছিল, ঢাকা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে মার্বেল পাথর ও টাইলস দিয়ে জায়গাটি বিশেষভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। লাশ উদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কবরস্থান এলাকায় তাবুও স্থাপন করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহিদুল ইসলাম পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে লাশ উত্তোলনের জন্য আবেদনটি করেছিলেন। এই ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শহীদদের পরিবার পরিজনদের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট