নতুন বিনিয়োগের অংশ হিসেবে উত্তর টেক্সাসে একটি বিশাল ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস তৈরি করা হবে। টেক্সাসের অনিয়ন্ত্রিত জ্বালানি বাজার এবং নবায়নযোগ্য শক্তির সহজলভ্যতা এই অঞ্চলে ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। তবে, ডেটা সেন্টারের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা স্থানীয় গ্রিডে চাপ সৃষ্টি করতে পারে—বিশেষ করে ২০২১ সালের ভয়াবহ শীতঝড়ের পর।
বিশ্বের অন্যান্য প্রযুক্তি জায়ান্টও টেক্সাসে বড় বিনিয়োগ করছে। ওপেনএআই অ্যাবিলিনে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ‘স্টারগেট’ প্রকল্প স্থাপন করেছে, মেটা ফোর্ট ওয়ার্থে ডেটা সেন্টার গড়ছে, টেসলা ২০২১ সালে সদর দপ্তর অস্টিনে স্থানান্তর করেছে এবং স্যামসাং টেলরে ১৭ বিলিয়ন ডলারের সেমিকন্ডাক্টর কারখানা স্থাপন করছে।
গুগল ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাপ মোকাবিলায় ৩০ মিলিয়ন ডলারের ‘এনার্জি ইমপ্যাক্ট ফান্ড’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই তহবিল স্থানীয় জ্বালানি উদ্যোগকে সহায়তা করবে এবং সম্প্রদায়ের জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে। গুগল জানিয়েছে, প্রকল্পের কারণে প্রয়োজনীয় নতুন জ্বালানি সম্পদ যুক্ত করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয় কোম্পানিই বহন করবে।
সাম্প্রতিক আর্থিক প্রতিবেদনে গুগল জানিয়েছে, ২০২৫ সালে তাদের মূলধনি ব্যয় ৯১–৯৩ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে দাঁড়াতে পারে, যা ডেটা সেন্টার, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য অপরিহার্য। এই বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতে গুগলের প্রভাব আরও বিস্তৃত করবে।
ডেস্ক রিপোর্ট