কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যা, ৪ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগপত্র
৩১ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল, তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
- আপলোড সময় : ২৩-১০-২০২৬ ০২:৫১:৪২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৩-১০-২০২৬ ০৩:১৭:৪২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৩১ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মামলার চার আসামিই গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান ঢাকা পোস্টকে অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামলার চার আসামির মধ্যে দুজনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে। অপর দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিলের পর এবার বিচারপ্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ হবে বলে আশা করছে অপ্রতিমের পরিবার।
নিহত অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এখন তিনি চান, বিচারও যেন দ্রুত শেষ হয় এবং ছেলেকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা সর্বোচ্চ শাস্তি পান।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে এবং কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের কাছে লালমাই পাহাড়সংলগ্ন সানন্দা গ্রামের একটি ঝোপ থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে তার সঙ্গে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে উঠে আসে। এ ঘটনায় চারজনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের অপ্রতিমের বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার চার আসামির মধ্যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।