শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতের তাগিদ: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলস পরিদর্শন করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী
- আপলোড সময় : ২২-১০-২০২৬ ০৯:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-১০-২০২৬ ০৯:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২০ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি
বন্ধ ও উৎপাদনে পিছিয়ে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে উৎপাদন বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেছেন, দেশের বস্ত্র ও পাটশিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিদ্যমান অবকাঠামো, জনবল ও উৎপাদন সক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলস পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুটির সার্বিক কার্যক্রম, অবকাঠামো, উৎপাদন সক্ষমতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি চট্টগ্রামের নো ভিউ গেস্ট হাউসও পরিদর্শন করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিল দুটির বর্তমান অবস্থা, কার্যক্রম ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। বস্ত্র ও পাট খাতের উন্নয়ন, শিল্পসম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।
শরীফুল আলম বলেন, বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাটশিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে এবং এ খাতে বিপুল সম্ভাবনা আছে। শিল্প খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া গেলে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল এবং পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে বিশ্ববাজারে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে, বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাত দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ দুই খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রীর মতে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিদ্যমান সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনা জরুরি। প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলে শিল্প খাতের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হতে পারে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় শিল্পসম্পদের যথাযথ ব্যবহার, উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট করপোরেশন ও কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।