হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-০৬-২০২৬ ১১:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-০৬-২০২৬ ১১:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগে ইরানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার এই হামলা শুরু হয়। তারা একে ইরানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি আনুপাতিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
ওয়াশিংটনের দাবি, ইরান একটি ড্রোনের সাহায্যে মার্কিন হেলিকপ্টারটিকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। তবে এই হামলাটি ইচ্ছাকৃত ছিল কিনা তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ঘটনার পর মার্কিন সমুদ্র ড্রোন ব্যবহার করে হেলিকপ্টারের দুই পাইলটকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক ইতিহাসে এ ধরনের ড্রোনের এটিই প্রথম প্রকাশ্য ব্যবহার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, পাইলটরা সুরক্ষিত থাকলেও এই হামলার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা জবাব দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত শক্তিশালী ও জোরালো হতে হবে এবং এই হামলা তারই অংশ।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসনও প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, ওয়াশিংটন বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রমতে, এই হামলায় মূলত ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার সিস্টেমগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পারস্য উপসাগরীয় উপকূলের বন্দর আব্বাস, কেশম ও সিরিক এলাকায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে।
এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান কোনো ধরনের আক্রমণ বা হুমকি বিনা জবাবে ছেড়ে দেবে না। মার্কিন বাহিনীকে এ অঞ্চলে নিরাপদ থাকতে হলে অবিলম্বে মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।