আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে সেখানে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আয় ও সম্পদের ব্যবধান নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ইসিতে দাখিল করা আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, ডা. শফিকুর রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৪৯ লাখ ৯৯ হাজার ৪৭৪ টাকা। ওই বছরে তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৩০ হাজার টাকা এবং তার কোনো ঋণ নেই বলে উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার নগদ অর্থের পরিমাণ ৬০ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯৭ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ৪ লাখ ৯০ হাজার ২৬৩ টাকা। এছাড়া শেয়ার, বন্ড ও স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত বিনিয়োগ রয়েছে প্রায় ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৮০ টাকার। তার মালিকানায় একটি মোটরযান রয়েছে, যার মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং অলংকার রয়েছে ১ লাখ টাকার।
স্থাবর সম্পদের বিবরণে দেখা যায়, তার নামে রয়েছে ২১৭ শতক কৃষিজমি, যার মূল্য ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এছাড়া ১৩ শতক অকৃষিজমি রয়েছে, যার মূল্য ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৪ টাকা। একটি আবাসিক ভবনের অংশ হিসেবে ১১ দশমিক ৭৭ শতক জমির ওপর নির্মিত ডুপ্লেক্স বাড়ির মূল্য দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ টাকা। কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে আয় দেখানো হয়েছে ৬০ হাজার টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তার বিদেশে কোনো সম্পদ নেই। স্ত্রী আমেনা বেগম গৃহিণী এবং তার কোনো আয় বা সম্পদ নেই বলে জানানো হয়েছে। তিন সন্তানের আলাদা আয় ও সম্পদের তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে তার নামে মোট ৩৪টি মামলা রয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট