ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সরকার এই ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে কোনো আপস করা হবে না। ইতোমধ্যে এই মামলার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং যৌথবাহিনীর অভিযানে মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সাল করিমের স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও শ্যালকসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খুনিচক্রের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা ২০ জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে সরকারিভাবে সশস্ত্র দেহরক্ষী বা গানম্যান প্রদান করা হয়েছে। ডিজিএফআই, এনএসআই ও এসবি-র সমন্বিত রিপোর্টের ভিত্তিতে একটি ‘হিটলিস্ট’ বা ঝুঁকিপূর্ণ তালিকা তৈরি করে এই সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও কেউ কেউ ব্যক্তিগত অনাগ্রহের কারণে তা গ্রহণ করেননি।
এছাড়া আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কর্মসূচি নিয়ে সরকারের প্রস্তুতির কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, তার আগমনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার কৌশলগত কারণে সব তথ্য এই মুহূর্তে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সভায় নিজের পদত্যাগ সংক্রান্ত ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনকেও নাকচ করে দিয়ে তিনি স্বাভাবিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা ব্যক্ত করেন।
(সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সচিবালয় বিফ্রিং)
ডেস্ক রিপোর্ট