আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে হাদির জানাজার জনসমুদ্র এবং বাংলাদেশের মানুষের আবেগ উঠে এসেছে বিশেষ গুরুত্বের সাথে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা হাদিকে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে অভিহিত করে জানাজার বিশাল জমায়েতের ছবি প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ড. ইউনূসের উপস্থিতি এবং জাতীয় কবির পাশে হাদির দাফনকে ‘বিরল রাষ্ট্রীয় সম্মান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এছাড়া ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি এবং পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় হাদির স্মরণে লাখো মানুষের স্লোগান ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শোকের খবরটি প্রাধান্য পেয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং তুরস্কের টিআরটি ওয়ার্ল্ড হাদির অকাল প্রয়াণকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক বড় ক্ষতি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টেও সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসার চিত্র ফুটে উঠেছে। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার পর ঢাকা ও সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ লড়াই শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার সম্মানে আজ ২০ ডিসেম্বর সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে।
তরুণ এই বিপ্লবীর মৃত্যুতে গোটা জাতি আজ স্তব্ধ। রাজপথ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সর্বত্রই বইছে শোকের মাতম। কবির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়া হাদির এই প্রস্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল, যা বিশ্ববাসীর কাছে এদেশের তরুণ প্রজন্মের ত্যাগের মহিমাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট