আসিফ নজরুল তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত মাসুদ গত বছর একটি অস্ত্র মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছিলেন। গুরুতর এই অপরাধে জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাবশালী আইনজীবীদের ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করেন তিনি। উপদেষ্টা প্রশ্ন তোলেন যে, ৪ ঘণ্টায় ৮০০ মামলায় জামিন হওয়ার মতো ঘটনাগুলো বিচারিক বিবেচনার ন্যায্যতা নিয়ে সংশয় তৈরি করে। তিনি আরও জানান, উচ্চ আদালতে এ ধরনের ‘অস্বাভাবিক জামিন’ নিয়ে তিনি এর আগেই প্রধান বিচারপতির কাছে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন।
উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, গুরুতর অপরাধে সরাসরি জড়িত এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের জামিন দেওয়া অসংগত। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে নিম্ন আদালতে পুলিশি প্রতিবেদনে আসামির সঠিক দলীয় পরিচয় বা অপরাধের স্পষ্ট তথ্য গোপন করার ফলে জামিন পাওয়া সহজতর হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে যথাযথ বিচারিক বিবেচনা নিশ্চিত করতে এবং দায়িত্বহীনভাবে জামিন প্রদান না করতে বিচারক ও সংশ্লিষ্টদের আগে থেকেই সতর্ক করেছেন।
সবশেষে, জামিন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসিফ নজরুল বলেন, "আমাদের ছেলেদের জীবন বিপন্ন করার মতো সিদ্ধান্ত দেবেন না।" তিনি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসা হুমকির কথা উল্লেখ করে বলেন, বিচারিক বিবেচনার বাইরে গিয়ে গণহত্যাকারীদের অনুসারীদের সুযোগ করে দিলে পরকালে এর দায় নিতে হবে। বিপ্লবের পর ছাত্র-জনতার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডেস্ক রিপোর্ট