ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। এই নিবন্ধন চলবে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী কয়েক দিন ধরে, যাতে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররা ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। একই সময়ের মধ্যে নির্বাচনকালীন দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন, যাদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৮ ডিসেম্বর থেকে।
ইসি জানায়, সামগ্রিকভাবে পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ১৯ নভেম্বর এবং তা চলবে আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত ভোটারদের এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্যসহ এশিয়া, আফ্রিকা ও আমেরিকার একাধিক রাষ্ট্র।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত মোট চার লাখ ৬৬ হাজার ৬৯১ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে।
ইসি আরও জানিয়েছে, যেসব ভোটার অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করবেন, তাদের ঠিকানায় ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হবে। ভোটাররা ব্যালটে ভোট প্রদান শেষে নির্ধারিত খামের মাধ্যমে তা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফেরত পাঠাবেন।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত, যা নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি এবং ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
নির্বাচনি প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট