শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এই তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করল। ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ এখন যে নতুন পথে অগ্রসর হচ্ছে—এই নির্বাচন ও গণভোট সেই পথরেখাকে দৃঢ় করবে, গণমানুষের মতকে প্রাধান্য দেবে এবং নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি আরও সুসংহত করবে।”
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশনের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে স্বাধীনভাবে, নিরপেক্ষভাবে এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে।" তিনি একই সঙ্গে অঙ্গীকার করেন যে, নির্বাচন ও গণভোটকে উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও সম্পূর্ণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ইসিকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, "এই নির্বাচন ও গণভোটকে একটি জাতীয় ঐক্যের উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করুন। ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং গণতান্ত্রিক আচরণ আমাদের সামনের দিনগুলোকে আরও স্থিতিশীল করবে।" তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়ে একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র নির্মাণে দেশ সফল হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং একই দিনে গণভোটও হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং একই দিনে গণভোটও হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট