ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার মধ্য দিয়েই দেশের গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার সুযোগ তৈরি হবে—এমন মত প্রকাশ করেছেন সুশাসন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মতে, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও সাংবিধানিক সংস্কারের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এই মন্তব্য উঠে আসে। অনুষ্ঠানে ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)’ নামে নতুন প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটে, যেখানে বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংগঠন, উন্নয়ন সংস্থা, পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা যুক্ত হয়েছেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, নির্বাচনী দুর্নীতি, অর্থের প্রভাব, প্রশাসনিক অনাচার, সহিংসতা এবং অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এখনো দেশের নির্বাচনি পরিবেশের প্রধান বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। ২০২৪ সালের জনআন্দোলনের পর জনগণের মধ্যে গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা যেমন বেড়েছে, তেমনি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আরও তীব্র হয়েছে।
অংশগ্রহণকারীরা সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যাম ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পাশাপাশি অবৈধ অর্থ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এসব পদক্ষেপই ভবিষ্যৎ নির্বাচনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট