দীর্ঘদিন আগে নির্মিত ঘোড়াশাল রেলসেতুটি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেল যোগাযোগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের ফলে সেতুর দুই এবং তিন নম্বর পিলারে ফাটল দেখা দিলে এই রুটে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই প্রেক্ষিতে, স্থাপনাগুলোর ঝুঁকির মাত্রা নিরূপণ এবং করণীয় নির্ধারণের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়।
শুক্রবার দুপুরে পরিদর্শনকালে বিশেষজ্ঞ দলটির নেতৃত্ব দেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিল্লুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন দলের অন্য সদস্যরা এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নরসিংদী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ইউনুছ মিয়া ও পলাশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আলম সরকার।
বিশেষজ্ঞ দলটি প্রথমে ফাটল ধরা রেলসেতুর পিলার এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠা ঘোড়াশাল সরকারি খাদ্য গুদামের তিনটি গোডাউন ঘুরে দেখেন। পরে তারা ক্ষতিগ্রস্ত ঘোড়াশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১১টি আবাসিক ভবন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়সহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য স্থাপনা পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন।
এই পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পের কারণে অবকাঠামোগত ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় মেরামতের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সঠিক বৈজ্ঞানিক পরামর্শ প্রদান করা। বিশেষজ্ঞ দলটির রিপোর্টের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট