অ্যাটর্নি জেনারেল বললেন: বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নে রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকার অপরিহার্য
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৯-১১-২০২৫ ০৪:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১১-২০২৫ ০৪:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী আইন প্রণয়নে রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার অপরিহার্য। তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন, যদি রাজনৈতিক দলগুলো এই আইনের প্রয়োগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হয়, তবে নাগরিকরা তাদের ভোট দেবে না। এই আইন ছাড়া কার্যকর প্রতিকার সম্ভব নয়, তাই একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
আজ বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ছাড়া আইন কার্যকর হবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইন কমিশন ও আইন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য সক্রিয় করা হবে।
সংলাপটি আয়োজন করেছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এসডিজিস, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং সিটিজেনস ইনিশিয়েটিভ, ইউএনডিপি ও সুইস দূতাবাসের সহায়তায়। অ্যাটর্নি জেনারেল আয়োজকদের প্রশংসা করে বলেন, অনুষ্ঠানটি তার চিন্তা ও আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্লাস্টের নির্বাহী পরিচালক ও সিনিয়র আইনবিদ ব্যারিস্টার সারা হোসেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, এনসিপি যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ সাইফুল্লাহ, গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সিপিবি সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফি রতন, অর্থনীতিবিদ ড. এস আর ওসমানী এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র উপদেষ্টা ড্রাগান পপোভিচসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি বক্তব্য রাখেন।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে বলেন, নাগরিকদের সার্বিক সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের জন্য এই আইন অপরিহার্য। অ্যাটর্নি জেনারেলের মতো ব্যারিস্টার সারা হোসেনও দাবি করেন, এই আইনটি নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হোক এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাকি সময়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সতর্ক করেছেন, বৈষম্য অব্যাহত থাকলে সভ্য রাষ্ট্রের বিকাশ রোধ হবে। বিভিন্ন প্রান্তিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি যেমন হিজড়া, চা শ্রমিক এবং হরিজনরা তাদের উদ্বেগ ও পরামর্শ উত্থাপন করেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।