দেশীয় ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে কারণ দুই দেশের কূটনৈতিক বিবেচনা, আশ্রয় নীতিমালা ও আইনগত দায়দায়িত্ব এ ঘটনায় প্রাসঙ্গিক। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম জানিয়েছেন, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের ওই মন্তব্য তাদের নজরে এসেছে এবং বাংলাদেশও নীতি হিসেবে অন্য দেশের অভিযুক্ত বা পলাতক ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়—এমন বিশ্বাস পোষণ করে।
ঘটনাচক্রে, গতকাল বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, তাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ জাকির নায়েককে গ্রেপ্তার করে ভারতের হাতে হস্তান্তর করবে। এই মন্তব্যটির প্রতিবিম্ব ইতোমধ্যেই ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং বিষয়টিকে কূটনৈতিক ও আইনগত প্রেক্ষাপটে লক্ষ্য করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ঢাকায় অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে নায়েক দুইদিনের সফরে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে; সফরের সিদ্ধান্ত ও নিরাপত্তা, অনুমতি ও আইনগত দিক নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কূটনৈতিক স্তরে এমন ঘটনা সাধারণত নানা স্তরের যোগাযোগ, তথ্য যাচাই ও আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে—বিশেষ করে যখন কোনো ব্যক্তির ওপর অভিযোগ বা আইনগত কার্যক্রম জড়িত থাকে।
পরবর্তীতে যদি সরকার বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে, তা জনস্বার্থে দ্রুত প্রকাশ করা হবে; আপাতত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো—অন্য দেশের কোনও অভিযুক্ত বা পলাতক ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয় এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় আইনি বাধ্যবাধকতা গুরুত্ব পাবে।
ডেস্ক রিপোর্ট