বিক্ষোভ চলাকালে বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক এ কে এম মাসুদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্যের নির্দেশে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে শিক্ষার্থীরা কেবল সাময়িক নয়, অভিযুক্তের স্থায়ী বহিষ্কার ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অধ্যাপক মাসুদ জানান, স্থায়ী বহিষ্কারের ক্ষমতা তাঁর নেই, তবে মামলা প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হয়েছে। “আমরা শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,” বলেন তিনি।
রাতেই বুয়েট নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ আহসান উল্লাহ হলে অভিযান চালিয়ে শ্রীশান্ত রায়কে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে হলের চারতলা থেকে নিচে নামানোর সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ডিম ও জুতা নিক্ষেপ করেন। পরে পুলিশ তাঁকে নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাড়িতে তুলে নেয়।
ঘটনার পর পুরো বুয়েট ক্যাম্পাসে নেমে আসে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ। শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন অপরাধের স্থায়ী ও কঠোর শাস্তির দৃষ্টান্ত তৈরি করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধে জড়ানোর সাহস না পায়।
ডেস্ক রিপোর্ট