ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে দুই শিশুর। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার কচুয়া বিলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত তানজিনা ও মারিয়া খাতুন সম্পর্কে একে অপরের আপন চাচাতো বোন বলে জানা গেছে।
মুক্তাগাছায় বিলের পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের করুণ মৃত্যুপানিতে ডুবে মৃত্যু: প্রতীকী ছবি
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে তানজিনা (৭) ওই গ্রামের আজিজুল হকের সন্তান এবং মারিয়া খাতুন (৭) মাসিদুল ইসলামের মেয়ে। তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো বোন। শুক্রবার বিকেল থেকেই ওই দুই কন্যা শিশুকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ সন্ধান না পেয়ে পরিবারের লোকজন বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ির পূর্ব পাশে অবস্থিত কচুয়া বিলের পানিতে তাদের অচেতন দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি করে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের মাতম।
খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দুটি দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুর এই অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনে মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মুক্তাগাছায় বিলের পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের করুণ মৃত্যুপানিতে ডুবে মৃত্যু: প্রতীকী ছবি
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহতদের মধ্যে তানজিনা (৭) ওই গ্রামের আজিজুল হকের সন্তান এবং মারিয়া খাতুন (৭) মাসিদুল ইসলামের মেয়ে। তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো বোন। শুক্রবার বিকেল থেকেই ওই দুই কন্যা শিশুকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ সন্ধান না পেয়ে পরিবারের লোকজন বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে বাড়ির পূর্ব পাশে অবস্থিত কচুয়া বিলের পানিতে তাদের অচেতন দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি করে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের মাতম।
খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দুটি দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুর এই অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনে মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।