সারাদেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি জেলাগুলোতে ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সর্বোচ্চ তৎপরতার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এক বিবৃতিতে জানান, প্রধানমন্ত্রী একদিকে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন, অন্যদিকে মানবিক দিক বিবেচনায় বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ও কার্যকর ১০টি বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন:
১. প্রধানমন্ত্রী নিজে এবং তাঁর কার্যালয় সার্বক্ষণিক জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
২. চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
৩. চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ পাঁচ জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চালের বিশেষ ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে।
৪. দুর্গতদের জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, শিশুখাদ্য ও তিন বেলা খাবার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৫. পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারে প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
৬. স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের সশরীরে দুর্গত এলাকায় অবস্থান করে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৭. দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে আর্তমানবতার সেবায় বিএনপির মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৮. দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে বন্যাদুর্গত এলাকায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
৯. বন্যায় ও পাহাড়ধসে হতাহতদের পরিবারের খোঁজ নিতে এবং সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০. ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের উচ্চতা ৫ ফুট বৃদ্ধি এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ও কার্যকর ১০টি বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন:
১. প্রধানমন্ত্রী নিজে এবং তাঁর কার্যালয় সার্বক্ষণিক জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
২. চট্টগ্রাম বিভাগে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
৩. চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ পাঁচ জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চালের বিশেষ ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে।
৪. দুর্গতদের জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, শিশুখাদ্য ও তিন বেলা খাবার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৫. পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারে প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
৬. স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের সশরীরে দুর্গত এলাকায় অবস্থান করে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৭. দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে আর্তমানবতার সেবায় বিএনপির মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৮. দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে বন্যাদুর্গত এলাকায় চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
৯. বন্যায় ও পাহাড়ধসে হতাহতদের পরিবারের খোঁজ নিতে এবং সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০. ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের উচ্চতা ৫ ফুট বৃদ্ধি এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।