ভারতের গুজরাটের পোরবন্দর বিমানবন্দরের কাছে নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে ‘দৃষ্টি-১০ স্টারলাইনার’ নামের এ ড্রোন ভেঙে পড়ে। এ নিয়ে একই মডেলের ড্রোন দ্বিতীয়বারের মতো দুর্ঘটনার কবলে পড়ল। এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতেও এই মডেলের একটি ড্রোন পরীক্ষা চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাগরে ভেঙে পড়েছিল। জানা যায়, রিমোটচালিত এ ড্রোনটি পোরবন্দরের নেভাল এয়ার এনক্লেভ থেকে উড্ডয়ন করেছিল। এরপর উপকূলীয় শহরটি থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে ধর্মনগর গ্রামের একটি খোলা মাঠে এটি আছড়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার পর এক বিবৃতিতে ভারতীয় নৌবাহিনী জানায়, পোরবন্দর বিমানবন্দরের কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে দৃষ্টি-১০ নামের ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে মাটিতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ড্রোনটিতে কারিগরি ত্রুটি ছিল নাকি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। স্টারলাইনার হলো মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড়তে সক্ষম একটি ড্রোন। ইসরাইলের এলবিট সিস্টেমসের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ভারতের আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এটি তৈরি করেছে। হায়দরাবাদের কারখানায় লাইসেন্স নিয়ে ড্রোনটি তৈরি করা হয়।
তথ্যসূত্র : সিএনবিসি।
দুর্ঘটনার পর এক বিবৃতিতে ভারতীয় নৌবাহিনী জানায়, পোরবন্দর বিমানবন্দরের কাছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে দৃষ্টি-১০ নামের ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে মাটিতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ড্রোনটিতে কারিগরি ত্রুটি ছিল নাকি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। স্টারলাইনার হলো মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড়তে সক্ষম একটি ড্রোন। ইসরাইলের এলবিট সিস্টেমসের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ভারতের আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এটি তৈরি করেছে। হায়দরাবাদের কারখানায় লাইসেন্স নিয়ে ড্রোনটি তৈরি করা হয়।
তথ্যসূত্র : সিএনবিসি।