কক্সবাজারে টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের ঘটনা বেড়েই চলেছে। জেলাজুড়ে গত চার দিনে পাহাড়ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে। সবশেষ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়া কাটার ডবল তলী এলাকায় পাহাড়ধসে দুই শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও এক নারী।
নিহতরা হলেন—বরইতলী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মজিদের ছেলে ওবাইদুল ইসলাম (১৩) ও মো. কাজলের মেয়ে রুমী আক্তার (১৩)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার জানান, আহত নারীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
বরইতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দু শুক্কুর জানান, রাত দেড়টার দিকে বাড়ির পেছনের পাহাড়ধসে ঘুমন্ত তিনজন চাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক একজনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও বাকি দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং ও সতর্ক করা হলেও তারা নিরাপদ স্থানে সরেনি।
এর আগে সোমবার রাতে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার শহরের ছাত্তারঘোনা এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। একই দিন পেকুয়া উপজেলায় দেয়াল চাপা পড়ে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে গত চার দিনে কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে ১৭ জনের মৃত্যু হলো, যার মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার জেলায় ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে গত রোববার থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলায় মোট ৫০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বর্তমানে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে।
নিহতরা হলেন—বরইতলী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মজিদের ছেলে ওবাইদুল ইসলাম (১৩) ও মো. কাজলের মেয়ে রুমী আক্তার (১৩)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার জানান, আহত নারীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
বরইতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দু শুক্কুর জানান, রাত দেড়টার দিকে বাড়ির পেছনের পাহাড়ধসে ঘুমন্ত তিনজন চাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক একজনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও বাকি দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গম পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং ও সতর্ক করা হলেও তারা নিরাপদ স্থানে সরেনি।
এর আগে সোমবার রাতে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার শহরের ছাত্তারঘোনা এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। একই দিন পেকুয়া উপজেলায় দেয়াল চাপা পড়ে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে গত চার দিনে কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে ১৭ জনের মৃত্যু হলো, যার মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার জেলায় ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে গত রোববার থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলায় মোট ৫০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বর্তমানে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে।