দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র আট মাসের মাথায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মলদোভার প্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্দ্রু মুনতেয়ানু। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক পদত্যাগের ফলে দেশটির বর্তমান মন্ত্রিসভারও পতন ঘটেছে।
২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দুর ইউরোপ-পন্থি দল ‘পার্টি অব অ্যাকশন অ্যান্ড সলিডারিটি’ (পিএএস) নির্বাচনে জয়লাভ করার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ৬২ বছর বয়সি আলেক্সান্দ্রু মুনতেয়ানু।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুনতেয়ানু জানান, নিজের নীতি ও বিশ্বাসের সঙ্গে বর্তমান দায়িত্ব পালনের সংগতি না থাকায় তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি দেশের পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনে অবদান রাখার দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু যখনই অনুভব করেছি যে আমার বিশ্বাসের সঙ্গে আপস না করে আর দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়, তখনই আমি সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
প্রধানমন্ত্রী মুনতেয়ানুর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দু তাকে ‘জটিল সময়ে’ দেশ পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কর্মপদ্ধতি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষও প্রকাশ করেন। প্রেসিডেন্ট সান্দু বলেন, “আমি আশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও বেশি সাহসী হবেন এবং জনগণের কথা শোনার বিষয়ে আরও উন্মুক্ত মনোভাব দেখাবেন।”
মুনতেয়ানুর কাজে বাধা দেওয়ার যে জল্পনা ছড়িয়েছে, তা অস্বীকার করে প্রেসিডেন্ট বলেন, “সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। তিনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
প্রেসিডেন্ট সান্দু স্পষ্ট করেছেন যে, মলদোভার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না। খুব দ্রুতই নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংসদীয় দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত মুনতেয়ানু অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়া মলদোভার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলাই এখন নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দুর ইউরোপ-পন্থি দল ‘পার্টি অব অ্যাকশন অ্যান্ড সলিডারিটি’ (পিএএস) নির্বাচনে জয়লাভ করার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ৬২ বছর বয়সি আলেক্সান্দ্রু মুনতেয়ানু।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুনতেয়ানু জানান, নিজের নীতি ও বিশ্বাসের সঙ্গে বর্তমান দায়িত্ব পালনের সংগতি না থাকায় তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি দেশের পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনে অবদান রাখার দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু যখনই অনুভব করেছি যে আমার বিশ্বাসের সঙ্গে আপস না করে আর দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়, তখনই আমি সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
প্রধানমন্ত্রী মুনতেয়ানুর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রেসিডেন্ট মায়া সান্দু তাকে ‘জটিল সময়ে’ দেশ পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কর্মপদ্ধতি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষও প্রকাশ করেন। প্রেসিডেন্ট সান্দু বলেন, “আমি আশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও বেশি সাহসী হবেন এবং জনগণের কথা শোনার বিষয়ে আরও উন্মুক্ত মনোভাব দেখাবেন।”
মুনতেয়ানুর কাজে বাধা দেওয়ার যে জল্পনা ছড়িয়েছে, তা অস্বীকার করে প্রেসিডেন্ট বলেন, “সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। তিনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
প্রেসিডেন্ট সান্দু স্পষ্ট করেছেন যে, মলদোভার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না। খুব দ্রুতই নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংসদীয় দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত মুনতেয়ানু অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়া মলদোভার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলাই এখন নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।