যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই অঞ্চলে তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই সিরিজ হামলার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।
ইউকেএমটিও-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত পরিচয়ের ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজের কাঠামোগত সামান্য ক্ষতি হলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। এর আগে ওমান উপকূলের কাছে আরও দুটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়। অন্য জাহাজটিতেও বড় ধরনের কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে সবকটি ঘটনায় নাবিকরা নিরাপদ আছেন বলে জানা গেছে।
হামলার শিকার হওয়া ট্যাংকারগুলোর মধ্যে একটি কাতারের ‘আল রেকাইয়্যাত’। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি একে ‘আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন’ এবং ‘জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর অগ্রহণযোগ্য হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। কাতার এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, নির্দিষ্ট একটি এলএনজি বাহী জাহাজ বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় হামলার মুখে পড়েছে। যদিও তেহরান এই হামলার দায় সরাসরি নিজেদের ওপর নেয়নি, তবে গত সপ্তাহে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, নির্ধারিত রুট না মানলে বা মার্কিন হস্তক্ষেপ থাকলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
গত মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থার মতে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনও ‘উচ্চ’ পর্যায়ে রয়ে গেছে।
সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা
ইউকেএমটিও-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত পরিচয়ের ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজের কাঠামোগত সামান্য ক্ষতি হলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। এর আগে ওমান উপকূলের কাছে আরও দুটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়। অন্য জাহাজটিতেও বড় ধরনের কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে সবকটি ঘটনায় নাবিকরা নিরাপদ আছেন বলে জানা গেছে।
হামলার শিকার হওয়া ট্যাংকারগুলোর মধ্যে একটি কাতারের ‘আল রেকাইয়্যাত’। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি একে ‘আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন’ এবং ‘জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর অগ্রহণযোগ্য হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। কাতার এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, নির্দিষ্ট একটি এলএনজি বাহী জাহাজ বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় হামলার মুখে পড়েছে। যদিও তেহরান এই হামলার দায় সরাসরি নিজেদের ওপর নেয়নি, তবে গত সপ্তাহে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, নির্ধারিত রুট না মানলে বা মার্কিন হস্তক্ষেপ থাকলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
গত মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থার মতে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনও ‘উচ্চ’ পর্যায়ে রয়ে গেছে।
সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা