গাজায় হামাস কমান্ডার নিহতের দাবি ইসরাইলের, ‘ইয়েলো লাইন’ ঘিরে নতুন উদ্বেগ

আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১১:১১:৪৩ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৬ ১১:১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

 

গাজা উপত্যকায় সামরিক অভিযানে হামাসের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী। নিহত ব্যক্তি শুজাইয়া ব্যাটালিয়নের সামরিক নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ নাইম জানদিয়া বলে জানিয়েছে তারা। একই সময়ে গাজায় ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা সম্প্রসারণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে একটি মানবাধিকার সংগঠন।
 

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর টেলিগ্রাম বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার সময় অপহৃত তিন ইসরাইলি জিম্মিকে একটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে আটকে রাখার দায়িত্বে ছিলেন জানদিয়া। পরবর্তীতে ওই জিম্মিরা গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। সে সময় সেনারা তাদের ভুলবশত ফিলিস্তিনি হিসেবে শনাক্ত করেছিল বলে আগেই স্বীকার করেছিল ইসরাইল।
 

তবে জানদিয়ার নিহত হওয়ার বিষয়টি বা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে হামাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
 

এদিকে গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ সম্প্রসারণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সাবেক ইসরাইলি সেনাসদস্যদের সংগঠন ‘ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’। তাদের অভিযোগ, এই সীমারেখা ক্রমশ বিস্তৃত হওয়ায় গাজার বড় অংশ সাধারণ মানুষের জন্য অপ্রবেশযোগ্য হয়ে পড়ছে।
 

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে যে সীমা পর্যন্ত ইসরাইলি বাহিনী সরে গিয়েছিল, সেটিকেই শুরুতে ‘ইয়েলো লাইন’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। তবে পরবর্তীতে এই নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ থেকে বেড়ে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে।
 

এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এর ফলে গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী এখন উপত্যকার এক-তৃতীয়াংশেরও কম এলাকায় বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে। একই সঙ্গে পানির উৎস, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এই সীমারেখার বাইরে চলে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
 

সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘ইয়েলো লাইন’ কার্যত একটি ‘কিল জোন’-এ পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের নিয়ম অনেকটা শিথিল। জাতিসংঘের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা জানায়, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত এই অঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৯৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
 

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]