মহাকাশে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসা নাসার গুরুত্বপূর্ণ ‘সুইফট’ মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্রকে রক্ষায় এক নজিরবিহীন উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) নাসার অর্থায়নে তৈরি ‘লিংক’ নামের একটি রোবোটিক মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য তিনটি যান্ত্রিক বাহুর সাহায্যে সুইফটকে ধরে আবার নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়া।
২০০৪ সালে উৎক্ষেপণ করা ‘সুইফট’ মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ—‘গামা-রে বিস্ফোরণ’ (Gamma-ray Bursts) পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি হয়েছিল। বিশাল নক্ষত্রের মৃত্যু কিংবা নিউট্রন নক্ষত্রের সংঘর্ষ থেকে সৃষ্ট এসব বিস্ফোরণ কয়েক সেকেন্ডেই যে পরিমাণ শক্তি নিঃসরণ করতে পারে, তা ১০ বিলিয়ন বছরের পুরো জীবদ্দশায় সূর্যের বিকিরণ করা শক্তির প্রায় সমপরিমাণ। ক্ষণস্থায়ী এই ঘটনাগুলো শনাক্ত করার অসাধারণ সক্ষমতার কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে ‘সুইফট’ টেলিস্কোপটি অত্যন্ত মূল্যবান।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সূর্যের ক্রমবর্ধমান সক্রিয়তার প্রভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল কিছুটা প্রসারিত হয়েছে। এর ফলে সুইফটের ওপর বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণ বেড়ে গেছে, যা তার গতি কমিয়ে কক্ষপথকে ধীরে ধীরে নিচে নামিয়ে আনছে। উৎক্ষেপণের সময় এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উচ্চতায় ছিল। বর্তমানে সেটি প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় নেমে এসেছে এবং গত দুই বছরেই এই পতনের বড় অংশ ঘটেছে।
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুইফটকে ৩০০ কিলোমিটারের নিচে নেমে যেতে দিলে আর উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। সে কারণেই দ্রুত এই অভিযান শুরু করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ক্যাটালিস্ট স্পেস টেকনোলজিস’ মাত্র আট মাসের মধ্যে ‘লিংক’ নামের উদ্ধারকারী মহাকাশযানটি তৈরি করেছে। ফ্রিজের সমান আকারের যানটিতে রয়েছে তিনটি রোবোটিক বাহু, উন্নত ক্যামেরা, সেন্সর, নির্দেশনা ব্যবস্থা ও ক্ষুদ্র থ্রাস্টার।
আগামী কয়েক সপ্তাহে ‘লিংক’ ধাপে ধাপে নিজের সব ব্যবস্থা সচল করবে এবং সুইফটের কাছে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নেবে। এরপর ক্যামেরা ও সেন্সরের সাহায্যে দূরবীক্ষণ যন্ত্রটিকে চারদিক থেকে পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদে ধরার উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে রোবোটিক বাহুগুলো সুইফটকে আঁকড়ে ধরবে এবং ধীরে ধীরে ইঞ্জিন চালিয়ে তার কক্ষপথ আবারও প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উচ্চতায় উন্নীত করবে।
ওপেন ইউনিভার্সিটির মহাকাশ বিজ্ঞানী ড. সিমিওন বারবার এই অভিযানকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সুইফটকে কখনো মহাকাশে ধরে স্থানান্তরের জন্য তৈরি করা হয়নি। তাই পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীর ও সতর্কভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
অভিযানটি সফল হলে এটি হবে মহাকাশে প্রথমবারের মতো কোনো কার্যকর দূরবীক্ষণ যন্ত্রকে ধরে নতুন কক্ষপথে স্থানান্তরের ঘটনা। আর সেই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও বড় মিশনের, এমনকি কিংবদন্তি হাবল স্পেস টেলিস্কোপকে রক্ষার পথও খুলে দিতে পারে।
২০০৪ সালে উৎক্ষেপণ করা ‘সুইফট’ মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ—‘গামা-রে বিস্ফোরণ’ (Gamma-ray Bursts) পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি হয়েছিল। বিশাল নক্ষত্রের মৃত্যু কিংবা নিউট্রন নক্ষত্রের সংঘর্ষ থেকে সৃষ্ট এসব বিস্ফোরণ কয়েক সেকেন্ডেই যে পরিমাণ শক্তি নিঃসরণ করতে পারে, তা ১০ বিলিয়ন বছরের পুরো জীবদ্দশায় সূর্যের বিকিরণ করা শক্তির প্রায় সমপরিমাণ। ক্ষণস্থায়ী এই ঘটনাগুলো শনাক্ত করার অসাধারণ সক্ষমতার কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে ‘সুইফট’ টেলিস্কোপটি অত্যন্ত মূল্যবান।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সূর্যের ক্রমবর্ধমান সক্রিয়তার প্রভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল কিছুটা প্রসারিত হয়েছে। এর ফলে সুইফটের ওপর বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণ বেড়ে গেছে, যা তার গতি কমিয়ে কক্ষপথকে ধীরে ধীরে নিচে নামিয়ে আনছে। উৎক্ষেপণের সময় এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উচ্চতায় ছিল। বর্তমানে সেটি প্রায় ৩৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় নেমে এসেছে এবং গত দুই বছরেই এই পতনের বড় অংশ ঘটেছে।
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুইফটকে ৩০০ কিলোমিটারের নিচে নেমে যেতে দিলে আর উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। সে কারণেই দ্রুত এই অভিযান শুরু করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ক্যাটালিস্ট স্পেস টেকনোলজিস’ মাত্র আট মাসের মধ্যে ‘লিংক’ নামের উদ্ধারকারী মহাকাশযানটি তৈরি করেছে। ফ্রিজের সমান আকারের যানটিতে রয়েছে তিনটি রোবোটিক বাহু, উন্নত ক্যামেরা, সেন্সর, নির্দেশনা ব্যবস্থা ও ক্ষুদ্র থ্রাস্টার।
আগামী কয়েক সপ্তাহে ‘লিংক’ ধাপে ধাপে নিজের সব ব্যবস্থা সচল করবে এবং সুইফটের কাছে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নেবে। এরপর ক্যামেরা ও সেন্সরের সাহায্যে দূরবীক্ষণ যন্ত্রটিকে চারদিক থেকে পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদে ধরার উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে রোবোটিক বাহুগুলো সুইফটকে আঁকড়ে ধরবে এবং ধীরে ধীরে ইঞ্জিন চালিয়ে তার কক্ষপথ আবারও প্রায় ৬০০ কিলোমিটার উচ্চতায় উন্নীত করবে।
ওপেন ইউনিভার্সিটির মহাকাশ বিজ্ঞানী ড. সিমিওন বারবার এই অভিযানকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সুইফটকে কখনো মহাকাশে ধরে স্থানান্তরের জন্য তৈরি করা হয়নি। তাই পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীর ও সতর্কভাবে সম্পন্ন করতে হবে।
অভিযানটি সফল হলে এটি হবে মহাকাশে প্রথমবারের মতো কোনো কার্যকর দূরবীক্ষণ যন্ত্রকে ধরে নতুন কক্ষপথে স্থানান্তরের ঘটনা। আর সেই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও বড় মিশনের, এমনকি কিংবদন্তি হাবল স্পেস টেলিস্কোপকে রক্ষার পথও খুলে দিতে পারে।