যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করে, তবে ইরানও তাদের কথা রাখবে। সোমবার এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একই সঙ্গে তিনি আমেরিকাকে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানকে কোনো হুমকি দেওয়া হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পারস্পরিক সমঝোতা একটি দ্বিমুখী রাস্তা। আমেরিকা চুক্তির শর্ত মানলে, আমরাও নিজেদের প্রতিশ্রুতি পালন করব।’ তিনি কারও নাম উল্লেখ না করে হোয়াইট হাউসের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, অহেতুক অভিযোগ ও ভিত্তিহীন হুমকির জবাব ইরান যুক্তি দিয়ে এবং অত্যন্ত কঠোরভাবে দেবে।
এদিকে, পারমাণবিক বিষয়ে আলোচনার জন্য আমেরিকার একটি প্রতিনিধি দল কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছে। ইরানের একটি দলও সেখানে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক জেসন ক্যাম্পবেল জানান, আমেরিকার এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে তারা ইরানের সাথে আলোচনা এগিয়ে নিতে সত্যিই আগ্রহী।
তবে দোহায় এখনই দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি কোনো বৈঠক হচ্ছে না। তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করবে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে কথার লড়াই চলতে থাকলেও এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে এগিয়ে যেতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পারস্পরিক সমঝোতা একটি দ্বিমুখী রাস্তা। আমেরিকা চুক্তির শর্ত মানলে, আমরাও নিজেদের প্রতিশ্রুতি পালন করব।’ তিনি কারও নাম উল্লেখ না করে হোয়াইট হাউসের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, অহেতুক অভিযোগ ও ভিত্তিহীন হুমকির জবাব ইরান যুক্তি দিয়ে এবং অত্যন্ত কঠোরভাবে দেবে।
এদিকে, পারমাণবিক বিষয়ে আলোচনার জন্য আমেরিকার একটি প্রতিনিধি দল কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছে। ইরানের একটি দলও সেখানে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক জেসন ক্যাম্পবেল জানান, আমেরিকার এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে তারা ইরানের সাথে আলোচনা এগিয়ে নিতে সত্যিই আগ্রহী।
তবে দোহায় এখনই দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি কোনো বৈঠক হচ্ছে না। তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করবে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে কথার লড়াই চলতে থাকলেও এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সামনে এগিয়ে যেতে পারে।