তোশক রোদে দিলে কী লাভ? প্রচলিত এই রীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

আপলোড সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ১২:১৪:৪১ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ১২:১৬:১৫ পূর্বাহ্ন

তোশক বা গদি নিয়মিত রোদে দেওয়া বহুদিনের পরিচিত একটি অভ্যাস। সঠিকভাবে রোদে দিলে তোশকের ভেতরে জমে থাকা আর্দ্রতা কমে, দুর্গন্ধ হ্রাস পায় এবং ধুলিকণাজনিত কিছু অ্যালার্জির ঝুঁকি কমতে পারে। তবে শুধু রোদে দিলেই সব জীবাণু বা ধুলিকণা সম্পূর্ণ দূর হয়ে যায়—এমন ধারণা সঠিক নয়।

ঘুমানোর সময় মানুষের শরীর থেকে ঘাম, আর্দ্রতা ও মৃত চামড়ার ক্ষুদ্র কণা তোশকে জমা হয়। সময়ের সঙ্গে এসব উপাদান ধুলিকণা, ডাস্ট মাইটস ও দুর্গন্ধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। রোদে দিলে তোশকের ভেতরের আর্দ্রতা কমে এবং পরিবেশ অপেক্ষাকৃত শুষ্ক হওয়ায় ডাস্ট মাইটসের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে সূর্যের আলো তোশকের গভীরে পুরোপুরি প্রবেশ করতে পারে না। ফলে গভীরে থাকা জীবাণু, ছত্রাক বা ডাস্ট মাইটস সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না। এ কারণে শুধু রোদে দেওয়া নয়, বিছানার চাদর নিয়মিত ধোয়া, তোশক পরিষ্কার রাখা এবং ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও জরুরি।

আর্দ্র পরিবেশে ডাস্ট মাইটস দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এটি অনেকের অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক বন্ধ থাকা বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। তাই তোশক ও বিছানা শুকনো রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

কয়েক মাস পরপর তোশক রোদে দেওয়া যেতে পারে। তবে মেমোরি ফোম বা ল্যাটেক্সজাতীয় কিছু তোশক দীর্ঘ সময় তীব্র রোদে রাখলে উপাদানের ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুসরণ করাই উত্তম।

সব মিলিয়ে, তোশক রোদে দেওয়া একটি উপকারী অভ্যাস হলেও এটি পূর্ণাঙ্গ পরিষ্কার-পরিচর্যার বিকল্প নয়। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চাদর ধোয়া এবং ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে রোদে দেওয়ার অভ্যাস যুক্ত হলে তোশক দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং স্বাস্থ্যকর ঘুমের পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]