যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৪৭, প্রশ্নের মুখে চুক্তি

আপলোড সময় : ২০-০৬-২০২৬ ০৯:৫২:৩০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০৬-২০২৬ ০৯:৫২:৩০ পূর্বাহ্ন
 

ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী, যাতে অন্তত ৪৭ জন নিহত ও ৯৭ জন আহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৯ জুন) মধ্যরাত থেকে এই হামলা শুরু হয়, যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল একই দিন বিকাল ৪টা থেকে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
 

যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক কূটনীতিকের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও ইরানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল লেবাননে সংঘাত কমানো ও বৃহত্তর শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া। কিন্তু সময়সীমা শুরু হওয়ার পরপরই দক্ষিণ লেবাননে অন্তত ১২টি বিমান হামলা ও ধারাবাহিক গোলাবর্ষণ হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, যা বাসিন্দাদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ ছড়িয়ে দেয়।
 

একজন গালফ কূটনীতিক জানান, দুই পক্ষ শত্রুতা বন্ধে সম্মত হলেও কঠোরভাবে মানা না হলে পরিস্থিতি আবার অবনতি হতে পারে। হিজবুল্লাহর এক কর্মকর্তা বলেন, ইসরাইল চুক্তি মানলে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে, আর এক ইসরাইলি কর্মকর্তা বলেন, হিজবুল্লাহ হামলা না করলে তাদের জন্যও যুদ্ধের সময় নয়। তবে বাস্তবে হামলা অব্যাহত থাকায় স্থানীয়রা যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন। আল জাজিরার সাংবাদিক হেইডি পেট লেবাননের টাইর শহর থেকে জানান, প্রতিবারই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় এটিকে সত্যিকারের যুদ্ধবিরতি বলা কঠিন।
 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, লেবানন-ইসরাইল আলোচনা আগামী ২৩ থেকে ২৫ জুন ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, যেকোনো আলোচনার ভিত্তি হতে হবে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক যুদ্ধবিরতির খবরকে স্বাগত জানিয়ে উভয় পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ ও সংলাপে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]