আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সম্মেলনে যোগ না দিয়েই ভারতের নয়াদিল্লির বিমানবন্দর থেকে ফেরত এসেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি রোববার ঢাকা থেকে দিল্লি যান। সংশ্লিষ্ট সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে, অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে উপদেষ্টা ভারতে প্রবেশ করে ক্ষোভ দেখিয়ে ফেরত আসেন।
সূত্রটি জানায়, ঘণ্টাখানেক বসিয়ে রাখা এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করার পর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা পদে থাকা জাহেদ উর রহমানকে ভারতের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আচরণ যথাযথ না হওয়ায়, উপদেষ্টা ভারতে প্রবেশে অস্বীকৃতি জানান। তারপর তাকে বার বার প্রবেশের অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি রাজি না হয়ে দেশে ফেরার বিষয়ে অনড় থাকেন। পরে তিনি ভারত থেকে অন্য দেশ হয়ে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। রোববার দিবাগত রাত ১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে উপদেষ্টা দেশের পথে ছিলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারত বাংলাদেশের কয়েকজন ইনফ্লুয়েন্সারের ইউটিউব চ্যানেল দেশটিতে ব্লক করে। তাদের দাবি, এসব ইনফ্লুয়েন্সারের বক্তব্য ভারত বিরোধী। তাদের মধ্যে রয়েছেন জাহেদ উর রহমানও। এ কারণে ভারতের অভিবাসন নজরদারি তালিকায় তার নামও রয়েছে।
উপদেষ্টা জাহেদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনি সাধারণ পাসপোর্টে রোববার বিকেল তিনটা ২০ এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে যাত্রা করেছিলেন। এ কারণেই তাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল আগের নজরদারির তালিকা অনুযায়ী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান নাম একটি নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নজরদারি তালিকায় থাকায় দিল্লি বিমানবন্দরে নিয়মিত তল্লাশির সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা তার নাম চিহ্নিত করেন। এরপর যাচাইয়ের জন্য তাকে আটক করা হয়।
সূত্রটি ১৮ সূত্রের বরাতে জানায়, প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে তাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে এই অসঙ্গতি শনাক্ত ও সমাধান করার পর কর্মকর্তারা জাহেদ উর রেহমানকে ভারতে প্রবেশের ছাড়পত্র দেন। এই সংবাদে অবশ্য উপদেষ্টার ভারতে প্রবেশ না করার সিদ্ধান্তের তথ্য দেওয়া হয়নি।
সূত্রটি জানায়, ঘণ্টাখানেক বসিয়ে রাখা এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করার পর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা পদে থাকা জাহেদ উর রহমানকে ভারতের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আচরণ যথাযথ না হওয়ায়, উপদেষ্টা ভারতে প্রবেশে অস্বীকৃতি জানান। তারপর তাকে বার বার প্রবেশের অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি রাজি না হয়ে দেশে ফেরার বিষয়ে অনড় থাকেন। পরে তিনি ভারত থেকে অন্য দেশ হয়ে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। রোববার দিবাগত রাত ১টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে উপদেষ্টা দেশের পথে ছিলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারত বাংলাদেশের কয়েকজন ইনফ্লুয়েন্সারের ইউটিউব চ্যানেল দেশটিতে ব্লক করে। তাদের দাবি, এসব ইনফ্লুয়েন্সারের বক্তব্য ভারত বিরোধী। তাদের মধ্যে রয়েছেন জাহেদ উর রহমানও। এ কারণে ভারতের অভিবাসন নজরদারি তালিকায় তার নামও রয়েছে।
উপদেষ্টা জাহেদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনি সাধারণ পাসপোর্টে রোববার বিকেল তিনটা ২০ এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে যাত্রা করেছিলেন। এ কারণেই তাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল আগের নজরদারির তালিকা অনুযায়ী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান নাম একটি নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নজরদারি তালিকায় থাকায় দিল্লি বিমানবন্দরে নিয়মিত তল্লাশির সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা তার নাম চিহ্নিত করেন। এরপর যাচাইয়ের জন্য তাকে আটক করা হয়।
সূত্রটি ১৮ সূত্রের বরাতে জানায়, প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে তাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে এই অসঙ্গতি শনাক্ত ও সমাধান করার পর কর্মকর্তারা জাহেদ উর রেহমানকে ভারতে প্রবেশের ছাড়পত্র দেন। এই সংবাদে অবশ্য উপদেষ্টার ভারতে প্রবেশ না করার সিদ্ধান্তের তথ্য দেওয়া হয়নি।