নোয়াখালীর সেনবাগে আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৭) নামে এক কিশোরকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১৪ জুন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্তকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ জুন রাতে সেনবাগ উপজেলার একটি এলাকায় সংঘটিত হামলায় আরাফাত হোসেন ফাহিম নিহত হন। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ, পরিকল্পনা এবং এতে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে, ১১ জুন নিহত কিশোরের মা পারভীন আক্তার বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নিহত আরাফাত হোসেন ফাহিম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।