যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে। একটি ফেডারেল আদালত এই নামকরণকে 'অবৈধ' ঘোষণার পর শনিবার (১৩ জুন) এই কাজ সম্পন্ন হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এটি একটি বড় আইনি ও রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ২৯ মে মার্কিন জেলা বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার রায় দেন যে কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ট্রাম্পের নামে করার সিদ্ধান্ত আইনসম্মত নয়। তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো জাতীয় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের রয়েছে এবং প্রশাসনকে ১৪ দিনের মধ্যে সব জায়গা থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। কেন্দ্রের পরিচালনা পর্ষদ শেষ মুহূর্তে এই অপসারণ ঠেকানোর চেষ্টা করলেও বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দেন।
কেনেডি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা আদালতে দাখিল করা নথিতে জানান, ভবন ও এর আশপাশের সব সাইনবোর্ড থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে কাজ শুরুর সময় বাইরে জমায়েত হওয়া অনেক মানুষ উল্লাস প্রকাশ করেন এবং হাজারো মানুষ অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার অনুসরণ করেন। বজ্রঝড়ের কারণে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্পন্ন হয়।
হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর ট্রাম্প বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানে নিজের নাম যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এই রায় সেই উদ্যোগের বিপরীতে গেছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করেছে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।