“আপনারা গুলি করবেন আর আমরা বসে থাকব? গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই?”—ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের অস্ত্রের হুমকির মুখে এভাবেই বুক চিতিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির সদস্যরা। জামালপুরের বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তে বিএসএফের অবৈধ পুশইন চেষ্টার সময় এই অকুতোভয় ও উত্তেজনাকর ঘটনাটি ঘটে। বিজিবি ও স্থানীয়দের তীব্র প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় ভারতীয় বাহিনী।
পুশইন চেষ্টা ও স্থানীয়দের প্রতিরোধ:
সীমান্ত সূত্র জানায়, বুধবার সকালে রামরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সদস্যরা এবং স্থানীয় এলাকাবাসী একজোট হয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিজিবি ও গ্রামবাসীদের অনড় অবস্থানের কারণে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকতে না পেরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে (সীমান্তের শূন্য রেখা) অবস্থান নিতে বাধ্য হন।
ব্যর্থ পতাকা বৈঠক ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়:
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল সাড়ে ১০টায় দুই দেশের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক এবং ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের একজন পরিদর্শক নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে পুশইনের শিকার ওই ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ফেরত নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও বিএসএফ তা প্রত্যাখ্যান করে। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা ওই বৃদ্ধকে নো ম্যান্স ল্যান্ডেই ফেলে রেখে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে চরম কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
‘গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই?’
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির এক পর্যায়ে বিএসএফের এক সদস্য অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার হুমকি দিলে তার মুখের ওপর দাঁড়িয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজিবি সদস্যরা। বিজিবির পক্ষ থেকে সাহসিকতার সাথে প্রশ্ন তোলা হয়, “আপনি কেন গুলি করার কথা বললেন? গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই? আপনারা গুলি করলে আমরা কী বসে থাকব?” বিজিবির এমন অনমনীয় ও বীরত্বপূর্ণ জবাবে থমকে যায় বিএসএফ।
বারবার চেষ্টা করেও বিজিবি ও স্থানীয়দের কঠোর প্রতিরোধের মুখে ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে ব্যর্থ হয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। চরম উত্তেজনার পর ওই ব্যক্তিকে নো ম্যান্স ল্যান্ডে রেখেই দুই পক্ষ নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে আসে।
বিজিবির বক্তব্য
এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, গত কয়েকদিন ধরেই এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিএসএফ। তবে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের সদস্যরা সীমান্তে কড়া পাহারা ও অবস্থান বজায় রেখেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা বদ্ধপরিকর।”
পুশইন চেষ্টা ও স্থানীয়দের প্রতিরোধ:
সীমান্ত সূত্র জানায়, বুধবার সকালে রামরামপুর সীমান্ত দিয়ে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের (অনুপ্রবেশ) চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সদস্যরা এবং স্থানীয় এলাকাবাসী একজোট হয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বিজিবি ও গ্রামবাসীদের অনড় অবস্থানের কারণে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকতে না পেরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে (সীমান্তের শূন্য রেখা) অবস্থান নিতে বাধ্য হন।
ব্যর্থ পতাকা বৈঠক ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়:
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল সাড়ে ১০টায় দুই দেশের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক এবং ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের একজন পরিদর্শক নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে পুশইনের শিকার ওই ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ফেরত নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও বিএসএফ তা প্রত্যাখ্যান করে। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা ওই বৃদ্ধকে নো ম্যান্স ল্যান্ডেই ফেলে রেখে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে চরম কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
‘গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই?’
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির এক পর্যায়ে বিএসএফের এক সদস্য অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার হুমকি দিলে তার মুখের ওপর দাঁড়িয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজিবি সদস্যরা। বিজিবির পক্ষ থেকে সাহসিকতার সাথে প্রশ্ন তোলা হয়, “আপনি কেন গুলি করার কথা বললেন? গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই? আপনারা গুলি করলে আমরা কী বসে থাকব?” বিজিবির এমন অনমনীয় ও বীরত্বপূর্ণ জবাবে থমকে যায় বিএসএফ।
বারবার চেষ্টা করেও বিজিবি ও স্থানীয়দের কঠোর প্রতিরোধের মুখে ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে ব্যর্থ হয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। চরম উত্তেজনার পর ওই ব্যক্তিকে নো ম্যান্স ল্যান্ডে রেখেই দুই পক্ষ নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে আসে।
বিজিবির বক্তব্য
এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, গত কয়েকদিন ধরেই এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিএসএফ। তবে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের সদস্যরা সীমান্তে কড়া পাহারা ও অবস্থান বজায় রেখেছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা বদ্ধপরিকর।”