মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ: ফলন বৃদ্ধি ও পানি সাশ্রয়ে কার্যকর আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি

আপলোড সময় : ০৮-০৬-২০২৬ ০১:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৬-২০২৬ ০১:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন

মালচিং পদ্ধতি: মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ ও আগাছা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কৃষি প্রযুক্তি

কৃষিক্ষেত্রে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং ফসলের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে মালচিং পদ্ধতির ব্যবহার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটির উপরিভাগ বিভিন্ন জৈব বা অজৈব উপকরণ দিয়ে ঢেকে রাখার এই পদ্ধতি মাটির সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মালচিং হলো মাটির উপর একটি আবরণ সৃষ্টি করা, যা খড়, শুকনো পাতা, ঘাস, কাঠের গুঁড়া কিংবা বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক শিট দিয়ে করা যেতে পারে। এই আবরণ মাটিকে সরাসরি সূর্যের তাপ ও অন্যান্য পরিবেশগত প্রভাব থেকে আংশিকভাবে সুরক্ষা দেয়।

মালচিংয়ের অন্যতম প্রধান উপকারিতা হলো মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ। মাটির উপর আবরণ থাকার ফলে পানির বাষ্পীভবন কম হয় এবং মাটি দীর্ঘ সময় আর্দ্র থাকতে সহায়তা পায়।

এছাড়া মালচিং আগাছা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা পালন করে। মাটিতে সূর্যের আলো কম পৌঁছানোর কারণে অনেক আগাছার অঙ্কুরোদগম ও বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে আগাছা দমনে অতিরিক্ত শ্রমের প্রয়োজন অনেক ক্ষেত্রে কমে আসে।

মালচিং মাটির তাপমাত্রার ওঠানামা কমাতেও সহায়তা করে। গরম সময়ে এটি মাটিকে অতিরিক্ত উত্তপ্ত হওয়া থেকে কিছুটা রক্ষা করে এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

জৈব উপকরণ ব্যবহার করে মালচিং করা হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব উপাদান পচে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। এর ফলে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং মাটির গঠন ও গুণগত মান উন্নত হতে পারে।

কৃষিবিদদের মতে, মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ, আগাছা দমন এবং মাটির স্বাস্থ্য রক্ষার মতো বিভিন্ন সুবিধার কারণে মালচিং বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]