আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো হজযাত্রী ইতোমধ্যে তাঁবুর নগরী মিনায় পৌঁছেছেন। রোববার এশার নামাজের পর থেকেই ধাপে ধাপে মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন হাজিরা। ইহরামের সাদা পোশাকে আল্লাহর দরবারে আত্মসমর্পণের দৃশ্যে মুখর হয়ে ওঠে পুরো হজ এলাকা।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ হাজিরা মিনায় অবস্থান করে ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাতযাপনের পর ৯ জিলহজ মঙ্গলবার তারা রওনা হবেন আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে। আরাফাতে অবস্থান করাকেই হজের মূল রুকন হিসেবে গণ্য করা হয়।
এ বছর আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবা প্রদান করবেন শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন।
সূর্যাস্তের পর হাজিরা রওনা হবেন মুজদালিফার উদ্দেশে। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায়ের পর খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন তারা। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগেই মিনায় ফিরে বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। এরপর পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার মধ্য দিয়ে হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন তারা।
১১ ও ১২ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন হজযাত্রীরা। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগেই তারা মিনা ত্যাগ করবেন।
চলতি বছর বিশ্বজুড়ে ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এ বছর প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই হাজির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার আভাস পাওয়া গেছে।
হজ উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার মনসুর বিন নাসের আল-ফায়েজ পবিত্র স্থানগুলোতে নিয়োজিত বাহিনীর প্রস্তুতি ও কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, হাজিদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে সব বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সেবামূলক সংস্থার সমন্বয়ের কারণে এবারের হজ আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ হাজিরা মিনায় অবস্থান করে ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাতযাপনের পর ৯ জিলহজ মঙ্গলবার তারা রওনা হবেন আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে। আরাফাতে অবস্থান করাকেই হজের মূল রুকন হিসেবে গণ্য করা হয়।
এ বছর আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবা প্রদান করবেন শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন।
সূর্যাস্তের পর হাজিরা রওনা হবেন মুজদালিফার উদ্দেশে। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায়ের পর খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন তারা। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগেই মিনায় ফিরে বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। এরপর পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার মধ্য দিয়ে হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন তারা।
১১ ও ১২ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করবেন হজযাত্রীরা। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগেই তারা মিনা ত্যাগ করবেন।
চলতি বছর বিশ্বজুড়ে ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এ বছর প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই হাজির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার আভাস পাওয়া গেছে।
হজ উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার মনসুর বিন নাসের আল-ফায়েজ পবিত্র স্থানগুলোতে নিয়োজিত বাহিনীর প্রস্তুতি ও কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, হাজিদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে সব বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সেবামূলক সংস্থার সমন্বয়ের কারণে এবারের হজ আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।