দেওয়ানি আদালতের অবকাশকালীন ছুটিতে জরুরি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সারা দেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ও পরামর্শ অনুযায়ী অবকাশকালীন সময়ে জরুরি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ভ্যাকেশন জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ভ্যাকেশন জজরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে জরুরি ফৌজদারি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ অনুযায়ী জরুরি দেওয়ানি মামলা গ্রহণ ও শুনানির ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছে। শিশু আইন, ২০১৩–এর আওতায় গঠিত শিশু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।
অবকাশকালীন সময়ে ভ্যাকেশন ডিউটিতে থাকা বিচারকেরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তারা ১৫ দিনের অবকাশকালীন ভাতাও পাবেন। নিজ কর্মস্থলের বাইরে দায়িত্ব পালন করলে বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএও প্রাপ্য হবে।
তবে শ্রম আদালত, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল, কোর্ট অব সেটেলমেন্ট এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালকে অবকাশকালীন ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ও পরামর্শ অনুযায়ী অবকাশকালীন সময়ে জরুরি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ভ্যাকেশন জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ভ্যাকেশন জজরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে জরুরি ফৌজদারি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ অনুযায়ী জরুরি দেওয়ানি মামলা গ্রহণ ও শুনানির ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছে। শিশু আইন, ২০১৩–এর আওতায় গঠিত শিশু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।
অবকাশকালীন সময়ে ভ্যাকেশন ডিউটিতে থাকা বিচারকেরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তারা ১৫ দিনের অবকাশকালীন ভাতাও পাবেন। নিজ কর্মস্থলের বাইরে দায়িত্ব পালন করলে বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএও প্রাপ্য হবে।
তবে শ্রম আদালত, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল, কোর্ট অব সেটেলমেন্ট এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালকে অবকাশকালীন ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।