সরকারি দফতরগুলোতে দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তের জন্য ন্যায়পাল নিয়োগের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ন্যায়পাল নিয়োগে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং আব্দুর রহমান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন ইশরাত হাসান। আবেদনে সরকারি বিভিন্ন দফতরে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়ম তদন্তে সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান থাকলেও স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ পদে কার্যকর কোনো নিয়োগ হয়নি। প্রশাসনিক জবাবদিহি ও দুর্নীতি প্রতিরোধে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আইন বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করেন।
রুলে সরকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইন অঙ্গন ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।