আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা বা অ্যাপোস্টিল সেবার জগতে বাংলাদেশ প্রবেশ করে গত বছর জানুয়ারিতে। বিদেশগামী বা বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের ভোগান্তি কমাতেই অনলাইনে তাদের বিভিন্ন সার্টিফিকেট সত্যায়ন পদ্ধতি চালু হয়, যা ১২৭টি দেশে গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। কিন্তু ইউরোপের ১১টি দেশ এই পদ্ধতিতে সত্যায়িত সার্টিফিকেট গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই পদ্ধতিতে সত্যায়িত সব সার্টিফিকেট গ্রহণে সম্মতি জানিয়ে বাংলাদেশসহ ১২৭টি দেশ হেগ কনভেনশনে সই করে। বিদেশগামী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সার্টিফিকেট ম্যানুয়াল বা সাধারণ পদ্ধতিতে সত্যায়নের পরিবর্তে অ্যাপোস্টিল পদ্ধতি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। কিন্তু ইউরোপের ১১টি এবং দক্ষিণ আমেরিকার ১টি দেশ বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট মানছে না। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউরোপের অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, লিথুনিয়া, এস্তোনিয়া, গ্রিস, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, চেক রিপাবলিক ও দক্ষিণ আমেরিকার কলম্বিয়া। জানা গেছে, ইউরোপের একটি দেশে যেতে বাংলাদেশের কিছু শিক্ষার্থীর জাল অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট ধরা পড়ায় দেশগুলো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১২টি দেশ বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট সরাসরি গ্রহণ করতে আপত্তি জানিয়ে প্রথাগত বা ম্যানুয়াল কনসুলার লিগালাইজেশন দাবি জানিয়েছে। অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট না মানলেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাস থেকে ম্যানুয়াল সত্যায়ন বা ভেরিফিকেশন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন এসব দেশের দূতাবাস ম্যানুয়ালভাবে সত্যায়িত সার্টিফিকেট জমা নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি আগের মতোই রয়ে গেছে। তবে এসব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যাতে অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট গ্রহণ করে। যদিও হেগ কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী সদস্য দেশগুলোর জন্য অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট সব ক্ষেত্রে মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।
অনলাইনে অ্যাপোস্টিল পদ্ধতিতে সহজেই সার্টিফিকেট সত্যায়ন করা যায়। এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থসাশ্রয় হয়। গত বছরের জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এই সেবা চালুর পর থেকেই দ্রুত সেবা পাচ্ছেন বিদেশগামীরা। সেবা গ্রহীতা তার সুনির্দিষ্ট নথির সত্যায়নের জন্য প্রাসঙ্গিক নথিপত্র মোবাইলে বা কম্পিউটারে নিজ অ্যাকাউন্টে আপলোড করতে পারেন। নথিগুলো সম্পূর্ণভাবে আপলোড না হওয়া পর্যন্ত পরের ধাপে যাওয়া যায় না। চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রতিটি আবেদনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ট্রাকিং নম্বর থাকে। এই নম্বর ব্যবহার করে পরবর্তী সময ‘সেবা ব্যবস্থাপনা’ অপশন থেকে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে গ্রহীতা জানতে পারেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অ্যাপোস্টিল সেবা চালু হওয়ায় প্রতি মাসে প্রায় দেড় লাখ নথি অনলাইনে সত্যায়ন করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে কোনো দেশের সরকারি দলিলপত্র, জন্ম নিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ, বিবাহ সনদ অন্য দেশে ব্যবহারের জন্য সত্যায়ন করা হয়। বিদেশগামী ও বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন প্রয়োজনে অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট ও বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে একাধিক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সত্যায়নসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সত্যায়ন করে থাকে। এখন ঘরে বসেই এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সত্যায়ন করা যায়, যা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য। অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেটে বিদ্যমান কিউআর কোড স্ক্যান করে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে ডকুমেন্টের সঠিকতা যাচাই করা যায়। এতে নাগরিকদের অনেক সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় কম হয়। এতে জাল ডকুমেন্টস ব্যবহারের সুযোগ নেই বললেই চলে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বিদেশি দূতাবাসগুলো প্রতি পাতা ডকুমেন্ট সত্যায়ন করতে ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সার্ভিস ফি আদায় করে। অ্যাপোস্টিল পদ্ধতি বাস্তবায়ন হওয়ায় বিদেশি দূতাবাসে সার্ভিস ফি দিয়ে ডকুমেন্ট সত্যায়ন করতে হচ্ছে না। এতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতিবছর প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। কমেছে দালালদের দৌরাত্ম্য এবং জাল বা নকল সিল ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে সত্যায়ন করার প্রবণতাও। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ডকুমেন্টের হার্ডকপিতে ম্যানুয়ালি সত্যায়ন করার সময় সেবাপ্রার্থীরা আগে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেন। এই ভোগান্তি এড়াতে অনেক সময় দালালের খপ্পরে পড়তেন। অ্যাপোস্টিল সত্যায়ন পদ্ধতি চালু হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের এখন আর লাইনে দাঁড়াতে হয় না। ঘরে বসেই অনলাইনে সত্যায়ন করাতে পারেন।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই পদ্ধতিতে সত্যায়িত সব সার্টিফিকেট গ্রহণে সম্মতি জানিয়ে বাংলাদেশসহ ১২৭টি দেশ হেগ কনভেনশনে সই করে। বিদেশগামী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সার্টিফিকেট ম্যানুয়াল বা সাধারণ পদ্ধতিতে সত্যায়নের পরিবর্তে অ্যাপোস্টিল পদ্ধতি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। কিন্তু ইউরোপের ১১টি এবং দক্ষিণ আমেরিকার ১টি দেশ বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট মানছে না। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইউরোপের অস্ট্রিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, লিথুনিয়া, এস্তোনিয়া, গ্রিস, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, চেক রিপাবলিক ও দক্ষিণ আমেরিকার কলম্বিয়া। জানা গেছে, ইউরোপের একটি দেশে যেতে বাংলাদেশের কিছু শিক্ষার্থীর জাল অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট ধরা পড়ায় দেশগুলো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১২টি দেশ বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট সরাসরি গ্রহণ করতে আপত্তি জানিয়ে প্রথাগত বা ম্যানুয়াল কনসুলার লিগালাইজেশন দাবি জানিয়েছে। অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট না মানলেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাস থেকে ম্যানুয়াল সত্যায়ন বা ভেরিফিকেশন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন এসব দেশের দূতাবাস ম্যানুয়ালভাবে সত্যায়িত সার্টিফিকেট জমা নিচ্ছে। এতে ভোগান্তি আগের মতোই রয়ে গেছে। তবে এসব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যাতে অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট গ্রহণ করে। যদিও হেগ কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী সদস্য দেশগুলোর জন্য অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট সব ক্ষেত্রে মেনে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।
অনলাইনে অ্যাপোস্টিল পদ্ধতিতে সহজেই সার্টিফিকেট সত্যায়ন করা যায়। এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থসাশ্রয় হয়। গত বছরের জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এই সেবা চালুর পর থেকেই দ্রুত সেবা পাচ্ছেন বিদেশগামীরা। সেবা গ্রহীতা তার সুনির্দিষ্ট নথির সত্যায়নের জন্য প্রাসঙ্গিক নথিপত্র মোবাইলে বা কম্পিউটারে নিজ অ্যাকাউন্টে আপলোড করতে পারেন। নথিগুলো সম্পূর্ণভাবে আপলোড না হওয়া পর্যন্ত পরের ধাপে যাওয়া যায় না। চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রতিটি আবেদনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ট্রাকিং নম্বর থাকে। এই নম্বর ব্যবহার করে পরবর্তী সময ‘সেবা ব্যবস্থাপনা’ অপশন থেকে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে গ্রহীতা জানতে পারেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অ্যাপোস্টিল সেবা চালু হওয়ায় প্রতি মাসে প্রায় দেড় লাখ নথি অনলাইনে সত্যায়ন করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে কোনো দেশের সরকারি দলিলপত্র, জন্ম নিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ, বিবাহ সনদ অন্য দেশে ব্যবহারের জন্য সত্যায়ন করা হয়। বিদেশগামী ও বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন প্রয়োজনে অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট ও বিভিন্ন ধরনের ডকুমেন্ট প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে একাধিক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সত্যায়নসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সত্যায়ন করে থাকে। এখন ঘরে বসেই এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সত্যায়ন করা যায়, যা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে গ্রহণযোগ্য। অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেটে বিদ্যমান কিউআর কোড স্ক্যান করে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে ডকুমেন্টের সঠিকতা যাচাই করা যায়। এতে নাগরিকদের অনেক সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় কম হয়। এতে জাল ডকুমেন্টস ব্যবহারের সুযোগ নেই বললেই চলে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বিদেশি দূতাবাসগুলো প্রতি পাতা ডকুমেন্ট সত্যায়ন করতে ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সার্ভিস ফি আদায় করে। অ্যাপোস্টিল পদ্ধতি বাস্তবায়ন হওয়ায় বিদেশি দূতাবাসে সার্ভিস ফি দিয়ে ডকুমেন্ট সত্যায়ন করতে হচ্ছে না। এতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতিবছর প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। কমেছে দালালদের দৌরাত্ম্য এবং জাল বা নকল সিল ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে সত্যায়ন করার প্রবণতাও। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ডকুমেন্টের হার্ডকপিতে ম্যানুয়ালি সত্যায়ন করার সময় সেবাপ্রার্থীরা আগে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেন। এই ভোগান্তি এড়াতে অনেক সময় দালালের খপ্পরে পড়তেন। অ্যাপোস্টিল সত্যায়ন পদ্ধতি চালু হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের এখন আর লাইনে দাঁড়াতে হয় না। ঘরে বসেই অনলাইনে সত্যায়ন করাতে পারেন।