স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মঙ্গলবার অভিযোগটি জমা দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে আলাউদ্দিন ভূঁইয়া উল্লেখ করেন, তিনি মতিঝিলের আমিন কোর্টে অবস্থিত “বায়ো ন্যাচার হাইটেক এগ্রো” প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তি, লুমিনাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিব হোসেনের প্ররোচনায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে চাঁদার দাবিতে হুমকি ও হয়রানি করে আসছেন। অভিযোগে রাকিব হোসেনের গুলশানের একটি ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে এবং ভুয়া সরকারি সিল ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে—এমন একটি ভুয়া চিঠি পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমেও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি করা হয়। অভিযোগের সঙ্গে এসব নথির অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে মনির হোসেন মোবাইল ফোনে আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি সাক্ষাৎ করতে বলেন এবং সাক্ষাৎ না করলে “বড় ধরনের ক্ষতি” হবে বলে হুমকি দেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, লুমিনাস গ্রুপের এমডি রাকিব হোসেন তাঁর মাধ্যমে টাকা আদায়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল নথি তৈরির অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল আহমেদ বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে মঙ্গলবার অভিযোগটি জমা দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে আলাউদ্দিন ভূঁইয়া উল্লেখ করেন, তিনি মতিঝিলের আমিন কোর্টে অবস্থিত “বায়ো ন্যাচার হাইটেক এগ্রো” প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তি, লুমিনাস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিব হোসেনের প্ররোচনায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে চাঁদার দাবিতে হুমকি ও হয়রানি করে আসছেন। অভিযোগে রাকিব হোসেনের গুলশানের একটি ঠিকানাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে এবং ভুয়া সরকারি সিল ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে—এমন একটি ভুয়া চিঠি পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমেও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি করা হয়। অভিযোগের সঙ্গে এসব নথির অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে মনির হোসেন মোবাইল ফোনে আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি সাক্ষাৎ করতে বলেন এবং সাক্ষাৎ না করলে “বড় ধরনের ক্ষতি” হবে বলে হুমকি দেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, লুমিনাস গ্রুপের এমডি রাকিব হোসেন তাঁর মাধ্যমে টাকা আদায়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল নথি তৈরির অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল আহমেদ বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”