নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে গৃহকর্তা কালাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, তার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে রাজধানীর বিশেষায়িত বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় চিকিৎসাধীন ছিলেন কালাম। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান। একই ঘটনায় দগ্ধ পরিবারের অন্য সদস্যদের চিকিৎসা এখনও চলছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাসার ভেতরে জমে থাকা গ্যাস থেকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকেই দুর্ঘটনার সূত্রপাত। বিস্ফোরণের পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। বাংলাদেশে আবাসিক এলাকায় গ্যাস লিকেজজনিত দুর্ঘটনা নতুন নয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো গ্যাসলাইন, অব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত তদারকির অভাবকে এ ধরনের ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে রাজধানীর বিশেষায়িত বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় চিকিৎসাধীন ছিলেন কালাম। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান। একই ঘটনায় দগ্ধ পরিবারের অন্য সদস্যদের চিকিৎসা এখনও চলছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাসার ভেতরে জমে থাকা গ্যাস থেকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকেই দুর্ঘটনার সূত্রপাত। বিস্ফোরণের পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। বাংলাদেশে আবাসিক এলাকায় গ্যাস লিকেজজনিত দুর্ঘটনা নতুন নয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো গ্যাসলাইন, অব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত তদারকির অভাবকে এ ধরনের ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।