অল্প বয়সে মাদকের সংস্পর্শে গেলে কিশোরদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে পড়াশোনায় অমনোযোগ, পরিবার থেকে দূরে সরে যাওয়া, আক্রমণাত্মক আচরণ এবং অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, কিশোর বয়সে মাদক গ্রহণ ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
শুধু আইন প্রয়োগ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পরিবারকে সন্তানদের প্রতি আরও যত্নশীল হতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, অনলাইনে কী দেখছে—এসব বিষয়ে সচেতন নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারলে তারা সহজে বিপথে যাওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে । কিশোরদের খেলাধুলা, বইপড়া, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখলে তারা ইতিবাচক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
কিশোরদের রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সময়মতো সচেতনতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করা গেলে একটি প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।