ইরানের ১৪ দফা পরিকল্পনার দিকে তাকালে যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে দেশটির চিন্তাভাবনা ও কৌশল বোঝা যায়।
ইরান বলেছে, প্রথম ধাপে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে, বিশেষ করে দক্ষিণ লেবানন ও হিজবুল্লাহর নিরাপত্তার বিষয়ে। অর্থাৎ, ইরান আলোচনার অগ্রগতিকে হিজবুল্লাহ এবং অঞ্চলে তার মিত্রদের পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করছে।
এটি আগের যুদ্ধবিরতির সময় দেখা অবস্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো ইতিবাচক সংকেত দেয়নি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন বাস্তবতা। ইরান দাবি করছে, এই কৌশলগত জলপথের ওপর বর্তমানে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়, তবে তেহরানও সেই নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে ইরান নিশ্চয়তা চায় যে, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হয়।
এসব রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিষয়ের স্থায়ী সমাধান হওয়ার পরই ইরান সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর বিষয়—অর্থাৎ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি হবে বলে জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান বলেছে, প্রথম ধাপে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে, বিশেষ করে দক্ষিণ লেবানন ও হিজবুল্লাহর নিরাপত্তার বিষয়ে। অর্থাৎ, ইরান আলোচনার অগ্রগতিকে হিজবুল্লাহ এবং অঞ্চলে তার মিত্রদের পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করছে।
এটি আগের যুদ্ধবিরতির সময় দেখা অবস্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো ইতিবাচক সংকেত দেয়নি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন বাস্তবতা। ইরান দাবি করছে, এই কৌশলগত জলপথের ওপর বর্তমানে তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়, তবে তেহরানও সেই নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে ইরান নিশ্চয়তা চায় যে, ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি আর না ঘটে এবং যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হয়।
এসব রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিষয়ের স্থায়ী সমাধান হওয়ার পরই ইরান সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর বিষয়—অর্থাৎ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি হবে বলে জানিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা